EC
Engineering Classroom
by Himalay Sen

Exams

Prepare for your next test with our collection of exam-based practice sets and question banks designed for effective assessment and revision.

Courses

Discover our wide range of online courses designed to help you learn new skills, master complex topics, and achieve your academic or career goals.

সালের প্রশ্ন

Access past board exam questions organized by year and subject to help you understand patterns, improve preparation, and boost your exam performance.

MCQ
981. মার্বেল কোন ধরনের শিলা?
রূপান্তরিত শিলা
আগ্নেয় শিলা
পাললিক শিলা
মিশ্র শিলা
ব্যাখ্যা: আগ্নেয় ও পাললিক শিলা যখন প্রচণ্ড তাপ, চাপ এবং রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে, তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে। চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্কেল, বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট, কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে প্লেট, গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস, কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।
982. দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস কোনটি?
জানুয়ারি
ফেব্রুয়ারি
ডিসেম্বর
মে
ব্যাখ্যা: দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস জানুয়ারি এবং উত্তর গোলার্ধে শীতলতম মাস। জানুয়ারি। বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস এপ্রিল এবং শীতলতম মাস জানুয়ারি।
983. ১০০ ওয়াট-এর একটি বৈদ্যুতিক বাল্ব ১ ঘণ্টা চললে কত শক্তি ব্যয় হয়?
১০০ জুল
৬০ জুল
৬০০০ জুল
৩৬০০০০ জুল
ব্যাখ্যা: এখানে, ক্ষমতা, P = ১০০ ওয়াট সময়,। = ১ ঘণ্টা = ৩৬০০ সেকেন্ড আমরা জানি, ব্যয়িত শক্তি, W = P×t সুতরাং শক্তি = ১০০ × ৩৬০০ = ৩৬০০০০ জুল।
984. ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরিত হয় কত সালে?
১৯১২ সালে
১৯১৩ সালে
১৯১৪ সালে
১৯১৫ সালে
ব্যাখ্যা: বঙ্গভঙ্গের ফলে ব্রিটিশ ভারতের বাংলায় ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন চরমে পৌঁছালে ব্রিটিশ সরকার রাজধানী কলকাতা থেকে সমগ্র ভারত শাসন সমীচীন মনে করেনি। এমতাবস্থায় ব্রিটিশ রাজা পঞ্চম জর্জ ভারতে এসে ১২ ডিসেম্বর ১৯১১ দিল্লির দরবারে ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরের ঘোষণা দেন। কিন্তু ১৯১২ সালের ১ এপ্রিলে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজধানী দিল্লিতে স্থানান্তরিত হয়। তবে সম্পূর্ণভাবে রাজধানী দিল্লিতে স্থানান্তরিত হতে সময় লেগে যায় ১৯৩১ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
985. বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বসতি কোনটি?
ময়নামতি
পুণ্ড্রবর্ধন
পাহাড়পুর
সোনারগাঁ
ব্যাখ্যা: বৃহত্তর বগুড়া (মহাস্থানগড়), রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর নিয়ে গঠিত হয়েছিল প্রাচীন জনপদ পুঞ্জ। পুণ্ড্রের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর তথা পুণ্ড্রবর্ধন। পরবর্তীকালে এই পুণ্ড্রনগরই মহাস্থানগড় নাম ধারণ করে। ১৮৭০ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ আলেকজান্ডার কানিংহাম প্রথম এই প্রাচীন ঐতিহাসিক নগরী পুণ্ড্রবর্ধনকে পুণ্ড্র জনপদের রাজধানী রূপে চিহ্নিত করেন।
986. কোন মুসলিম দেশ সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য?
সৌদি আরব
মালয়েশিয়া
তুরস্ক
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা: ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত North Atlantic Treaty Organization বা NATO-এর বর্তমান ৩০টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে দুটি মুসলিম রাষ্ট্র রয়েছে। যার একটি তুরস্ক অন্যটি আলবেনিয়া।
987. মধ্যম উচ্চতার মেঘ কোনটি?
সিরাস
নিম্বাস
কিউম্যুলাস
স্ট্রেটাস
ব্যাখ্যা: 'গ' ও 'ঘ' দুটিই সঠিক। সাধারণত সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ থেকে ৭,০০০ মিটারের মধ্যে মধ্যম উচ্চতার মেঘ থাকে। মধ্যম উচ্চতার মেঘ দুই প্রকারের হয়। কিউমুলাস (অল্টোকিউমুলাস) এবং স্ট্রেটাস (অল্টোস্ট্রেটাস)। উল্লেখ্য, সিরাস উঁচু স্তরের মেঘ এবং নিম্বাস নিচু স্তরের মেঘ।।
988. গ্রাফিন (graphene) কার বহুরূপী?
কার্বন
কার্বন ও হাইড্রোজেন
কার্বন ও হাইড্রোজেন
কার্বন ও নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা: যদি কোনো মৌল ভিন্ন ভিন্ন রূপে থাকতে পারে তখন তার ধর্মকে বহুরূপতা বলে। কার্বন একটি বহুরূপী মৌল। গ্রাফাইট, হীরা এবং গ্রাফিন কার্বনের রূপভেদ।
989. ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তির সাথে সম্পর্কিত বিষয়বস্তু হলো:
আপদ ঝুঁকি হ্রাস
জলবায়ু পরিবর্তন হ্রাস
জনসংখ্যা বৃদ্ধি হ্রাস
সমুদ্র পরিবহন ব্যবস্থাপনা
ব্যাখ্যা: ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশ্বনেতারা জলবায়ু চুক্তির ব্যাপারে সম্মত হন। এই সম্মেলনটি COP-21 নামে পরিচিত।
990. ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল কোন দেশভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা?
সুইডেন
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাজ্য
জার্মানি
ব্যাখ্যা: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল জার্মানির বার্লিনভিত্তিক দুর্নীতিবিরোধী একটি বেসরকারি অলাভজনক আন্তর্জাতিক সংস্থা। বিশিষ্ট আইনজীবী ও উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ পিটার ইজেন ১৯৯৩ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করেন। এ সংস্থা বাংলাদেশে টিআইবি নামে ১৯৯৬ সাল থেকে এখন পর্যন্ত কাজ করে যাচ্ছে। দুর্নীতি বিরোধী সংস্থাটি প্রতিবছর দুর্নীতির ধারণাসূচক বা Corruption Perceptions Index প্রকাশ করে থাকে।
991. একই পরিমাণ বৃষ্টিপাত অঞ্চলসমূহকে যে কাল্পনিক রেখার সাহায্যে দেখানো হয় তার নাম-
আইসোপ্লিথ
আইসোহাইট
আইসোহ্যালাইন
আইসোথার্ম
ব্যাখ্যা: ভূ-পৃষ্ঠের যেসব জায়গায় বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ একই রকম, সেসব জায়গাকে রেখার সাহায্যে যুক্ত করে মানচিত্রে যে কাল্পনিক রেখা দেখানো হয় তাকে সমবর্ষণ বা আইসোহাইট (Isohyets) রেখা বলে। সাধারণভাবে পৃথিবীর নিরক্ষীয় অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় ভারতের মওসিনরামে।
992. আলোকবর্ষ ব্যবহার করে কী পরিমাপ করা হয়?
দূরত্ব
সময়
ভর
ওজন
ব্যাখ্যা: শূন্যস্থানে এক বছরে আলোর অতিক্রান্ত দূরত্বকে এক আলোকবর্ষ বলে। আলোকবর্ষ হলো দৈর্ঘ্য পরিমাপের একটি একক, যা দিয়ে সাধারণত জ্যোতির্বিদ্যা সম্পর্কিত দূরত্ব মাপা হয়।
993. কোন বিদেশি রাষ্ট্র বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিয়েছে?
রুয়ান্ডা
সিয়েরা লিওন
সুদান
লাইবেরিয়া
ব্যাখ্যা: জাতিসংঘের শান্তি মিশনে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী পশ্চিম আফ্রিকার আটলান্টিক পাড়ের দেশ সিয়েরা লিওনে শান্তি-শৃঙ্খলা স্থাপন ও নানা প্রকার অবকাঠামো বিনির্মাণ করে দেশটির মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়। বাংলাদেশের মানুষের অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ২০০২ সালে দেশটির প্রেসিডেন্ট বাংলা ভাষাকে সিয়েরা লিওনের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেয়।
994. 'বঙ্গবন্ধু দ্বীপ' কোথায় অবস্থিত?
মেঘনা মোহনায়
সুন্দরবনের দক্ষিণে
পদ্মা এবং যমুনার সংযোগস্থলে
টেকনাফের দক্ষিণে
ব্যাখ্যা: প্রায় ১০ বর্গ কিমি আয়তন বিশিষ্ট বঙ্গবন্ধু দ্বীপটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় দুই মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। এই দ্বীপটি মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮০ কিমি দক্ষিণে এবং সুন্দরবনের হিরন পয়েন্ট থেকে ১৫ কিমি ও দুবলার চর উপকূল থেকে ২৫ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।।
995. এশিয়াকে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে কোন প্রণালী?
জিব্রাল্টার প্রণালী
বসফরাস প্রণালী
বাবেল মান্দেব প্রণালী
বেরিং প্রণালী
ব্যাখ্যা: আরব উপদ্বীপের ইয়েমেন ও হর্ন অব আফ্রিকার জিবুতি ও ইরিত্রিয়ার মাঝে ২০ কিমি প্রন্থের বাবেল মান্দের প্রণালি এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে। আর এ প্রণালি এডেন উপসাগর ও লোহিত সাগরকে সংযুক্ত করেছে। অপরদিকে জিব্রাল্টার, বসফরাস ও বেরিং প্রণালি যথাক্রমে ইউরোপ-আফ্রিকা, এশিয়া-ইউরোপ এবং এশিয়া উত্তর আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
996. নিচের কোনটি সত্য নয়?
ইরাবতী মিয়ানমারের একটি নদী
গোবি মরুভূমি ভারতে অবস্থিত
থর মরুভূমি ভারতের পশ্চিমাংশে অবস্থিত
সাজেক ভ্যালি বাংলাদেশে অবস্থিত
ব্যাখ্যা: চীন ও মঙ্গোলিয়ার দক্ষিণাংশ জুড়ে অবস্থিত গোবি মরুভূমি এশিয়ার বৃহত্তম এবং বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মরুভূমি। এটির আয়তন ১২ লক্ষ ৯৫ হাজার বর্গ কিমি।
997. UDMC-এর পূর্ণরূপ হলো:
United Disaster Management Centre
Union Disaster Management Committee
Union Disaster Management Centre
none of the above
ব্যাখ্যা: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অধীনে দুর্যোগ প্রশমন ও ব্যবস্থাপনার জন্য ইউনিয়ন পর্যায়ের। একটি সংগঠন UDMC-এর পূর্ণরূপ হলো Union Disaster Management Committee.
998. আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল কোন সালে গঠিত হয়?
১৯৪৪ সালে
১৯৪৫ সালে
১৯৪৮ সালে
১৯৪৯ সালে
ব্যাখ্যা: ১৯৪৪ সালের ১-২২ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ার অঙ্গরাজ্যের ব্রেটন-উডসের মাউন্ট ওয়াশিংটন হোটেলে অনুষ্ঠিত ৪৫টি দেশের প্রতিনিধিদের বৈঠকে গৃহীত এক চুক্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল তথা International Monetary Fund (IMF) প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২৭ ডিসেম্বর ১৯৪৫। আর এটি কার্যক্রম শুরু করে ১ মার্চ ১৯৪৭ এবং জাতিসংঘের বিশেষ সংস্থার মর্যাদা লাভ করে ১৫ নভেম্বর ১৯৪৭। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক এ সংস্থাটির বর্তমান সদস্য দেশ ১৯০টি। আর সংস্থাটির বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক বুলগেরিয়ার নাগরিক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
999. 'বেঙ্গল ফ্যান' ভূমিরূপটি কোথায় অবস্থিত?
মধুপুর গড়ে
বঙ্গোপসাগরে
হাওর অঞ্চলে
টারশিয়ারি পাহাড়ে
ব্যাখ্যা: বঙ্গোপসাগরের তলদেশের খাদ সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড জোয়ারভাটা, পললের গতিবিধি ও অবক্ষেপণ, পানির গতি-প্রকৃতি প্রভৃতির উপর প্রভাব বিস্তার করে। গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র নদীবাহিত পলি সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের মধ্য দিয়ে টারবিডিটি স্রোতের মাধ্যমে প্রায় ৩,০০০ কিমি দক্ষিণে নিয়ে আসে। এ পলি মিশ্রিত স্রোত বঙ্গোপসাগরের তলদেশে অগভীর খাদের সৃষ্টি করে শিরা-উপশিরার মতো বেষ্টনী তৈরি করেছে, যা বেঙ্গল ফ্যান বা গাঙ্গেয় ফ্যান নামে পরিচিত।
1000. জাতিসংঘ নামকরণ করেন-
রুজভেল্ট
স্টালিন
চার্চিল
দ্যা গল
ব্যাখ্যা: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিভীষিকা থেকে বিশ্বকে মুক্তি দিয়ে বিশ্বশান্তি এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতি সাধনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারি জাতিসংঘ নামক একটি বিশ্বসংস্থার নামকরণ করেন। আর চার্চিল, স্টালিন ও দ্য গল যথাক্রমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও ফ্রান্সের শাসক ছিলেন যারা জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠায় অনন্য ভূমিকা পালন করেন।