EC
Engineering Classroom
by Himalay Sen

Exams

Prepare for your next test with our collection of exam-based practice sets and question banks designed for effective assessment and revision.

Courses

Discover our wide range of online courses designed to help you learn new skills, master complex topics, and achieve your academic or career goals.

সালের প্রশ্ন

Access past board exam questions organized by year and subject to help you understand patterns, improve preparation, and boost your exam performance.

ট্রান্সপোর্টেশন ইঞ্জিনিয়ারিং MCQ
241. গার্ডার সেতুর ওপর মিটার গেজ স্লিপারের সর্বোচ্চ দূরত্ব হয়-
১'-০"
০'-৬"
১-৩"
১'-৯"
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: গার্ডার সেতুর উপর নিম্নলিখিত দূরত্বে স্লিপার বসানো হয়- (i) ব্রডগেজে সর্বোচ্চ দূরত্ব 50 cm বা 20 inch পরপর। (ii) মিটার গেজে সর্বোচ্চ দূরত্ব = 30cm বা 12 inch পরপর। (iii) ন্যারো গেজে বা সরু গেজে সর্বোচ্চ দূরত্ব = 25cm বা 10 inch পরপর।
242. কোনো লাইনের ব্যালাস্টের দৈর্ঘ্য ২৮০ সেমি, প্রস্থ ২৭৫ মিমি এবং উচ্চতা ১২৭ সেমি। যদি দুই স্লিপারের মধ্যবর্তী দূরত্ব ৬৫ সেমি হয়, তবে ব্যালাস্টের গভীরতা কত?
১০ সেমি
২০.৭৫ সেমি
১৫ সেমি
১৮.৭৫ সেমি
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: D= ৬৫-২৭.৫ / 2 সেমি। = ১৮.৭৫ সেমি। [ S = ৬৫ সেমি B= ২৭.৫ সেমি
243. ব্রড গেজ ও মিটার গেজের জন্য সর্বোচ্চ অনুমোদিত বেগ ----- হয়।
3.6√R-60 km/h
4.4√R-80 km/h
4.4√R-70 km/h
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা: কোনোটিই নয় ব্যাখ্যা: রেলওয়ে বোর্ড কর্তৃক সর্বোচ্চ গতি: (i) ব্রড গেজ ও মিটার গেজ রেলের জন্য = V=4.4√R-70 (ii) ন্যারো গেজের জন্য, V = 3.6√R-60. যেখানে, V = গাড়ির সর্বোচ্চ গতিবেগ, km/h R = বাঁকের ব্যাসার্ধ, মিটারে।
244. গার্ডার সেতুর ওপর ব্রডগেজে স্লিপারের সর্বোচ্চ দূরত্ব-
১-৮"
০'-৮"
১'-০"
১-৬"
245. Double headed rail-এর ওজন কত কেজি?
৪৭.৬০ কেজি/মি.
৪৮.৬০ কেজি/মি.
৫০.৬০ কেজি/মি.
৪৯.৬০ কেজি/মি.
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: রেলের ওজনঃ (i) ডাবল হেডেড রেল = 49.60 kg/m (ii) বুল হেডেড রেল= 36 kg/m হতে 50 kg/m iii) ফ্লাট ফুটেড রেল = 54 kg/m বা 49kg/m.
246. বাঁকে স্লিপারের ঘনত্ব কত ধরা হয়?
n+3
n + 5.
n+7
n+1
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: সরল রাস্তায় স্লিপারের ঘনত্ব n_3 হতে n+4 হয় এবং বাঁকে স্লিপারের ঘনত্ব n + 5.
247. রেলসড়কের দুটি সমান্তরাল রেলের জোড়া যদি পরস্পর বিপরীতমুখী না হয়ে আগেপিছে হয়, তবে ঐ প্রকার জয়েন্টকে বলা হয়-
স্কয়ার জয়েন্ট
ব্রিজ জয়েন্ট
সাসপেন্ডেড জয়েন্ট
স্টে গার্ড জয়েন্ট
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: রেল সড়কে দুটি সমান্তরাল রেলের জোড়া যদি পরস্পর বিপরীতমুখী না হয়ে আগে পিছে হয়, তবে ঐ প্রকার জয়েন্টকে স্টেগার্ড জয়েন্ট বলে। সাধারণত বাঁকে এ ধরনের জোড়া ব্যবহৃত হয়।
248. Fouling Mark বলা হয়-
বিপদ চিহ্ন
নিরাপদ চিহ্ন
সহজে দৃশ্যমান নয় এমন চিহ্ন
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: ফাউলিং মার্ক: দুটি রেলের সংযোগস্থলে এ চিহ্ন রাখা হয়। এক লাইনে দাঁড়ানো ট্রেনের সাথে অপর লাইনের আগত ট্রেনে যাতে কোনো সংঘর্ষ না হয়, তার জন্য ঐ চিহ্ন দেওয়া হয়। তাই এই চিহ্নকে বিপদ চিহ্নও বলা হয়।
249. ট্রেন লাইনচ্যুত হয় কীসের জন্য?
বাকলিং-এর জন্য
অনুভূমিক ফাটলের জন্য
ধুরাবাহিত লোডের জন্য
কোনোটিই নয়
250. কাঠের স্লিপারের আয়ুষ্কাল কত বছর?
১২ থেকে ১৮ বছর
৮ থেকে ১০ বছর
৯ থেকে ১১ বছর
১০ থেকে ১২ বছর
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: কাঠের স্লিপার হিসেবে সেগুন, শাল, দেবদারু, ফার ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এর আয়ুষ্কাল ১০-১২ বছর ধরা হয়। কাঠের স্লিপারের স্টান্ডার্ড সাইজ- (i) ব্রড গেজ = 274 cm x 25.4 cm x 12.7 cm. (ii) মিটার গেজ = 183 cm x 20.3 cm x11.11 cm.
251. মিটার গেজের জন্য এক ফুট দৈর্ঘ্যে কত ঘনমিটার ব্যালাস্টের প্রয়োজন হয়
৫.২৫ ঘনফুট
৮.২৫ ঘনফুট
৭.২৫ ঘনফুট
৩৬.২৫ ঘনফুট
252. ব্রডগেজের ধুরাবাহিত ওজন (Axial Load) ২৮ টন হলে স্লিপারের ঘনত্ব কত হবে?
n+4
n+7
n+5
n+6
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: একটি রেলে যতটি স্লিপার ব্যবহার করা হয়, তার সংখ্যাকে স্লিপার ঘনত্ব বলে।
253. মিটার গেজে ১৩ টন ধুরাবাহিত ওজনের জন্য স্লিপারের ঘনত্ব-
n+3
n+7
n+10
n+5
254. একখণ্ড রেলের দৈর্ঘ্য ১২.৮০ মিটার এবং স্লিপারের ঘনত্ব n+5 হলে রেলখণ্ডে স্লিপারের সংখ্যা কত?
১৭টি
১৯টি
১৮টি
১৫টি
ব্যাখ্যা: খ্যা:। টি রেলের দৈর্ঘ্য = n = 12.80 m রেলে স্লিপারের ঘনত্ব =n+5 টি = (12.80+5) টি = 17.80টি = 18 টি
255. রেলসড়কের দুটি সমান্তরাল রেল জোড়া যদি সরাসরি বিপরীতমুখী হয়, তবে তাকে বলা হয়-
স্টে গার্ড জয়েন্ট
ব্রিজ জয়েন্ট
স্কয়ার জয়েন্ট
সাসপেন্ডেড জয়েন্ট
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: রেল সড়কে দুটি সমান্তরাল রেল জোড়া যদি সরাসরি বিপরীতমুখী হয় বা একই সোজাসুজি হয়, তখন তাকে স্কয়ার জয়েন্ট বলে। এ জয়েন্ট গাড়ি চলাচলের সময় কম ধাক্কার সৃষ্টি হয়।
256. রেলকে স্লিপারের সাথে আটকানোর জন্য যে-সব উপকরণের প্রয়োজন হয় তা হলো-
রেলের কোনিং
রেল ফ্যাসেনিং
উপরের দুটি
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: রেলকে স্লিপারের সাথে আটকানোর জন্য যে সকল উপকরণের প্রয়োজন হয় সেগুলোকে রেল ফ্যাসেনিং বলে। যেমন- (i) ফিশপ্লেট (iii) চেয়ার এবং খিল (ii) স্পাইক (iv) বিয়ারিং প্লেট ইত্যাদি।
257. সাধারণ রেলের তৈরি ত্রুটির কারণে রেলে যে ব্যর্থতা দেখা যায় তা হলো-
মাথা চিরে যাওয়া
তীর্যক ফাটল
মাথা ভেঙে যাওয়া
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: যে সকল কারণে রেল ব্যর্থ হয়ঃ (i) মাথা ভেঙে। (ii) তির্যক ফাটল বা গর্ত হয়ে। (iii) মাথা চিরে যাওয়া। (iv) অনুভূমিক ফাটল। (v) বর্গাকার বা কৌণিকভাবে ভেঙে যাওয়া।
258. উত্তম ব্যালাস্টের আকার কত?
১৯ মিমি থেকে ৫১ মিমি
১৯ মিমি থেকে ৪৫ মিমি
১৯ মিমি থেকে ৩০ মিমি
১০ মিমি থেকে ২৫ মিমি
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: ব্যালাস্টের টুকরা 19mm হতে 62mm পর্যন্ত এবং সর্বোচ্চ 75mm পর্যন্ত হয়। তবে মাঝারি মাপের ব্যালাস্টের আকার 19mm হতে 51 mm, যা উত্তম ব্যালাস্ট হিসেবে বিবেচিত।
259. রেলওয়েতে কত ধরনের স্পাইক ব্যবহৃত হয়?
৩ প্রকার
৬ প্রকার
৫ প্রকার
৪ প্রকার
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: আমাদের দেশে সাধারণত চার ধরনের স্পাইক ব্যবহৃত হয়, যথা- (i) ডগ স্লাইক (ii) ক্রু স্লাইক বা কোচ স্নাইক (iii) রাউন্ড স্লাইক (iv) ইলাস্টিক স্লাইক।
260. কাস্ট আয়রন স্লিপারের আয়ুষ্কাল-
৬০ থেকে ৭০ বছর
৫০ থেকে ৬০ বছর।
৪০ থেকে ৫০ বছর
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: লোহকে নির্ধারিত ফর্মায় গলিয়ে কাস্ট আয়তন স্লিপার তৈরি করা হয়। শতকরা ৬০ ভাগ ব্রডগেজে এ ধরনের স্লিপার ব্যবহৃত হয়। মায়ানমার ও পাকিস্তান ব্যতীত অন্য কোথাও এর ব্যবহার নেই। এ স্লিপার আয়ুষ্কাল 50-60 বছর।