EC
Engineering Classroom
by Himalay Sen

Exams

Prepare for your next test with our collection of exam-based practice sets and question banks designed for effective assessment and revision.

সালের প্রশ্ন

Access past board exam questions organized by year and subject to help you understand patterns, improve preparation, and boost your exam performance.

MCQ
761. বাংলাদেশে প্রথম সাধারণ নির্বাচন কখন অনুষ্ঠিত হয়?
৭ মার্চ ১৯৭৩
১৭ মার্চ ১৯৭৩
২৭ মার্চ ১৯৭৩
৭ মার্চ ১৯৭৪
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথম জাতীয় সংসদ বা সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ মার্চ ১৯৭৩ (বুধবার)। আর সর্বশেষ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮।
762. ঐতিহাসিক 'ছয় দফা দাবিতে' যে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না-
শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা
বিচার ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা: ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬ বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ছয় দফার প্রথম দফা ছিল প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন। ছয় দফার বাকি দফাগুলো হলো: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা; মুদ্রা ও অর্থ সম্বন্ধীয় ক্ষমতা; রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা; বৈদেশিক বাণিজ্যবিষয়ক ক্ষমতা ও আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা। বিচার ব্যবস্থা ঐতিহাসিক 'ছয় দফা দাবিতে' অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
763. ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
খাজা নাজিমউদ্দীন
নুরুল আমিন
লিয়াকত আলী খান
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দীন ১৭.১০.১৯৫১-১৭.০৪.১৯৫৩)। পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন লিয়াকত আলী খান (১৫.০৮.১৯৪৭-১৬.১০.১৯৫১)। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বিজয় লাভের সময় *পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন (৭-২০ ডিসেম্বর ১৯৭১) এবং ভাষা আন্দোলনের সময় তিনি ছিলেন পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী)
764. পাকিস্তান কবে বাংলাদেশকে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?
ফেব্রুয়ারি ২০, ১৯৭৪
ফেব্রুয়ারি ২১, ১৯৭৪
ফেব্রুয়ারি ২২, ১৯৭৪
ফেব্রুয়ারি ২৩, ১৯৭৪
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ ভুটান (৬ ডিসেম্বর ১৯৭১)। পাকিস্তান, ইরান ও তুরস্ক বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪।
765. বঙ্গবন্ধুকে কখন 'জুলিও কুরী' শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়?
২০ মে ১৯৭২
২১ মে ১৯৭২
২২ মে ১৯৭২
২৩ মে ১৯৭২
ব্যাখ্যা: [Note: বঙ্গবন্ধুকে জুলিও কুরি পদকে ভূষিত করা হয় ১০ অক্টোবর ১৯৭২ এবং পদক প্রদান করা হয় ২৩ মে ১৯৭৩।
766. বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম সংসদ নেতা কে?
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
মোহাম্মদউল্লাহ
তাজউদ্দীন আহমদ
ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের সংসদ নেতা ও সংসদ উপনেতা সংসদ সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থনের ভিত্তিতে নির্বাচিত হন। ৭ মার্চ ১৯৭৩ অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত দেশের প্রথম জাতীয় সংসদের প্রথম সংসদ নেতা নির্বাচিত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং উপনেতা নির্বাচিত হন আসাদুজ্জামান খান। মোহাম্মদ উল্লাহ ছিলেন জাতীয় সংসদের প্রথম স্পিকার।
767. লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC শীর্ষ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু কবে যোগদান করেন?
২০-২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
২৭-২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
ব্যাখ্যা: ওআইসির দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলন পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত হয় ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪। এ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু যোগদান করেন ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ওআইসির দ্বিতীয় সম্মেলনে ৩২তম সদস্য হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে।
768. বাংলার কোন সুলতানের শাসনামলকে স্বর্ণযুগ বলা হয়?
শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ
নাসিরুদ্দীন মাহমুদ শাহণ
আলাউদ্দিন হোসেন শাহঘ
গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
ব্যাখ্যা: বাংলার আকবর খ্যাত হুসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা ও শ্রেষ্ঠ সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের শাসনামলকে মুসলিম শাসনের ইতিহাসে 'স্বর্ণযুগ' বলা হয়। তার শাসনামলের ব্যাপ্তি ছিল ১৪৯৩ থেকে ১৫১৯ সাল পর্যন্ত। তিনি বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য বিখ্যাত হয়ে ওঠেন। তার আমলে গজল ও সুফি সাহিত্য সৃষ্টি হয়। ইলিয়াস শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ ছিলেন সমগ্র বাংলার প্রথম মুসলমান সুলতান এবং গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ ছিলেন ইলিয়াস শাহী বংশের তৃতীয় সুলতান।
769. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় কে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন?
নওয়াব আব্দুল লতিফ
স্যার সৈয়দ আহমেদ
নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
খাজা নাজিমউদ্দীন
ব্যাখ্যা: ঢাকার নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ১৯১৫ সালে সলিমুল্লাহর মৃত্যুর পর সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী শক্ত হাতে এ উদ্যোগের হাল ধরেন। উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নাথান কমিশন গঠন করা হয় ২৭ মে ১৯১২।
770. বাংলাদেশের সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মূল বিষয় কী ছিল?
বহুদলীয় ব্যবস্থা
বাকশাল প্রতিষ্ঠা
তত্ত্বাবধায়ক সরকার
সংসদে মহিলা আসন
ব্যাখ্যা: ২৭ মার্চ ১৯৯৬ বাংলাদেশ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী পাস হয়, যার বিষয়বস্তু ছিল অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন। উল্লেখ্য, ৩০ জুন ২০১১ সংবিধানের ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা রদ করা হয়।
771. কোন বীরশ্রেষ্ঠের দেহাবশেষ বাংলাদেশে এনে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়?
সিপাহি মোস্তফা কামাল
ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ
ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ
সিপাহি হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা: বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহি হামিদুর রহমানকে প্রথম সমাহিত করা হয় ভারতের আমবাসা গ্রামে। পরবর্তীতে হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ ভারত থেকে ফিরিয়ে এনে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের কবরের পাশে সমাহিত করা হয় ১১ ডিসেম্বর ২০০৭। উল্লেখ্য, মতিউর রহমানের দেহাবশেষ পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয় ২৩ জুন ২০০৬। তাকে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয় ২৫ জুন ২০০৬।
772. মুক্তিযুদ্ধকালে কোলকাতার ৮, থিয়েটার রোডে 'বাংলাদেশ বাহিনী' কখন গঠন করা হয়?
এপ্রিল ১০, ১৯৭১
এপ্রিল ১১, ১৯৭১
এপ্রিল ১২, ১৯৭১
এপ্রিল ১৩, ১৯৭১
ব্যাখ্যা: শক্তিশালী পাকিস্তানি বাহিনীকে মোকাবেলা করার জন্য মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের কার্যালয় কলকাতার ৮ থিয়েটার রোডে (বর্তমানে শেক্সপিয়র সরণি) বাংলাদেশ বাহিনী গঠন করা হয় ১০ এপ্রিল ১৯৭১। এই দিনে প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ বেতার ভাষণে সারা দেশকে ৮টি রণাঙ্গনে ভাগ করেন। ১৪ এপ্রিল এম.এ.জি ওসমানীকে মুক্তিবাহিনীর (বাংলাদেশ বাহিনী) প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাজউদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে ৮টি রণাঙ্গনের অধিনায়কদের এক সভায় সারা দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।
773. 'মাৎস্যন্যায়' বাংলার কোন সময়কাল নির্দেশ করে?
৫ম-৬ষ্ঠ শতক
৬ষ্ঠ-৭ম শতক
৭ম-৮ম শতক
৮ম-৯ম শতক
ব্যাখ্যা: পুকুরে বড় মাছগুলো শক্তির দাপটে ছোট মাছগুলোকে খেয়ে ফেলার পরিস্থিতিকে মাৎস্যন্যায় বলে ৭ম-৮ম শতকে বাংলার সবল অধিপতিরা ছোট ছোট অঞ্চলগুলোকে গ্রাস করেছিল। পাল তাম্রশাসনে শশাঙ্কের পর বাংলায় 'মাৎস্যন্যায়' বা অরাজকতাপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করছিল। 'মাৎস্যন্যায়' মূলত ৬৫০ থেকে ৭৫০ খ্রিস্টাব্দ তথা ৭ম-৮ম শতককে নির্দেশ করে।
774. কাগমারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়-
রোজ গার্ডেনে
সিরাজগঞ্জে
সন্তোষে
সুনামগঞ্জে
ব্যাখ্যা: টাঙ্গাইল জেলার কাগমারির সন্তোষে 'কাগমারি সম্মেলন' অনুষ্ঠিত হয় ৭-১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৭। এই সম্মেলনের সভাপতি ছিলেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। এ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি স্বায়ত্তশাসনের দাবি জোরালোভাবে তুলে ধরেছিলেন।
775. অবিভক্ত বাংলার সর্বপ্রথম রাজা কাকে বলা হয়?
অশোক
শশাঙ্ক
মেগদা
ধর্মপাল
ব্যাখ্যা: ৫ম-৬ষ্ঠ শতক ৬০৬ খ্রিস্টাব্দে স্বাধীন রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা শশাঙ্ককে অবিভক্ত বাংলার সর্বপ্রথম রাজা বলা হয়। শশাঙ্কের অপর নাম নরেন্দ্রগুপ্ত। কর্ণসুবর্ণ ছিল তার রাজধানী। বৌদ্ধধর্মের কনস্ট্যানটাইন খ্যাত অশোক ছিলেন মৌর্য বংশের সম্রাট। তিনি সিংহাসনে আরোহণ করেন ২৬৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দে। ধর্মপাল ছিলেন পাল বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ রাজা। তিনি নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর বিহারের প্রতিষ্ঠাতা।
776. ঢাকা শহরের গোড়াপত্তন হয়-
ব্রিটিশ আমলে
সুলতানি আমলে
মুঘল আমলে
স্বাধীন নবাবী আমলে
ব্যাখ্যা: সুলতানি আমলে ঢাকা শহরের গোড়াপত্তন হয় এবং এটি একটি নগর কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে। তবে মুঘল আমলে প্রাদেশিক রাজধানীর মর্যাদা পাওয়ার পর এটি প্রসিদ্ধি লাভ করে। উল্লেখ্য, সুবাদার ইসলাম খান চিশতী সর্বপ্রথম ঢাকাকে বাংলার রাজধানীতে রূপান্তর করেন। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত ঢাকা পাঁচবার (১৬১০, ১৬৬০, ১৯০৫, ১৯৪৭ ও ১৯৭১) রাজধানী হয়েছে।
777. কে বীরশ্রেষ্ঠ নন?
হামিদুর রহমান
মোস্তফা কামাল
মুন্সী আব্দুর রহিম
নূর মোহাম্মদ শেখ
ব্যাখ্যা: মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ৪২৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে ৪ ধরনের বীরত্বসূচক খেতাব প্রদান করে। তাদের মধ্যে ৭ জনকে সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। তারা হলেন ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ, ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ, সিপাহি মোহাম্মদ হামিদুর রহমান, সিপাহি মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল, ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমিন, ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর এবং ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান।
778. বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম কী?
পুণ্ড্র
তাম্রলিপ্তি
গৌড়
হরিকেল
ব্যাখ্যা: 'পুণ্ড্র' বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ। পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থানগড়) ছিল পুত্র রাজ্যের রাজধানী। এ জনপদ গড়ে উঠেছিল বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর জেলাকে কেন্দ্র করে। প্রায় আড়াই হাজার বছর পূর্বে এখানে সভ্য জনপদ গড়ে উঠেছিল। প্রাচীরবেষ্টিত এ নগরীর ভেতর রয়েছে বিভিন্ন আমলের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন।
779. বাংলায় সেন বংশের (১০৭০-১২৩০ খ্রিস্টাব্দ) শেষ শাসনকর্তা কে ছিলেন?
হেমন্ত সেন
বল্লাল সেন
কেশব সেন
লক্ষ্মণ সেন
ব্যাখ্যা: ১২০৬ খ্রিস্টাব্দে লক্ষ্মণ সেনের মৃত্যুর পর তার দুইপুত্র বিশ্বরূপ সেন ও কেশব সেন সিংহাসনে বসেছিলেন। দক্ষিণ ও পূর্ব বাংলায় তাদের রাজত্ব ছিল। তাদের রাজত্বকাল ছিল প্রায় ২৫ বছর। সম্ভবত বিশ্বরূপ সেনই জ্যেষ্ঠ ছিলেন এবং প্রথমে রাজত্ব করেন। আনুমানিক ১২৩০ খ্রিস্টাব্দে কেশব সেনের মৃত্যুর পর কে সিংহাসনে বসেছিলেন তা সঠিকভাবে জানা যায়নি। তাই বলা যায়, বাংলায় সেন বংশের (১০৭০-১২৩০ খ্রিস্টাব্দ) শেষ শাসনকর্তা ছিলেন কেশব সেন।
780. বঙ্গভঙ্গ রদ কে ঘোষণা করেন?
লর্ড কার্জন
রাজা পঞ্চম জর্জ
লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
লর্ড ওয়াভেল
ব্যাখ্যা: ভারতের বড়লার্ট লর্ড কার্জনের এক ঘোষণার মাধ্যমে ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর 'বঙ্গভঙ্গ' হয়। পরবর্তীতে হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের তীব্র আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ১২ ডিসেম্বর ১৯১১ লর্ড হার্ডিঞ্জের সুপারিশে রাজা পঞ্চম জর্জ দিল্লি দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন। এ ঘোষণা কার্যকর হয় ১৯১২ সালের ২০ জানুয়ারি।