EC
Engineering Classroom
by Himalay Sen

Exams

Prepare for your next test with our collection of exam-based practice sets and question banks designed for effective assessment and revision.

Courses

Discover our wide range of online courses designed to help you learn new skills, master complex topics, and achieve your academic or career goals.

সালের প্রশ্ন

Access past board exam questions organized by year and subject to help you understand patterns, improve preparation, and boost your exam performance.

MCQ
181. বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি?
৭টি
৯টি
১০টি
১১টি
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা : বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি। যেমন- অ, আ, ই, উ, এ, ও, ঞ।
182. পথের পাঁচালী' উপন্যাসের রচয়িতা-
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যাঃ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৯৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর জন্যগ্রহণ করেন। তিনি মূলত উপন্যাস ও ছোটোগল্প লিখে খ্যাতি অর্জন করেন। তার রচিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হচ্ছে পাঁচালী, অপরাজিত, আরণ্যক, আদর্শ হিন্দু হোটেল, ইচ্ছামতি, অশনি সংকেত।
183. 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থের কবি-
কাজী নজরুল ইসলাম
বিহারীলাল চক্রবর্তী
বুদ্ধদেব বসু
জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যাঃ কবি জীবনানন্দ দাশ-এর রচিত কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে রূপসী বাংলা। তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হচ্ছে- বনলতা সেন, ঝরাপালক, প্রকাশকাল, মহাপৃথিবী, সাতটি তারার তিমির। তাকে রূপসী কবিও বলা হয়ে থাকে।
184. 'ভিক্ষালব্ধ' সমাসবদ্ধ পদটি কোন সমাসের উদাহরণ?
কর্মধারায়
দ্বন্দ্ব
বহুব্রীহি
তৃতীয়া তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যাঃ পূর্বপদে তৃতীয়া বিভক্তির (দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক ইত্যাদি) লোপে যে সমাস হয়, তাকে তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন- ভিক্ষা দ্বারা লব্ধ ভিক্ষালব্ধ, পদ দ্বারা দলিত পদদলিত, মন দ্বারা গড় = মনগড়া।
185. 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' নাটকের নাট্যকার-
মামুনুর রশিদ
সেলিম আল-দীন
মমতাজ উদ্দীন আহমেদ
সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকের নাট্যকার' সৈয়দ শামসুল হক। এটি একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য। তার উল্লেখযোগ্য কাব্যনাট্য হচ্ছে- গণনায়ক, নূরলদীনের সারাজীবন।
186. 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' লিখেছেন-
কাজী নজরুল ইসলাম
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
শেখ মুজিবুর রহমান
গাজী শামসুর রহমান।
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: অসমাপ্ত আত্মজীবনী লিখেছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ২০১২ সালের ১৮ জুন।
187. 'এ কী অপরূপ রূপে মা তোমায় হেরিনু পল্লী জননী'- গানটির গীতিকার কে?
কাজী নজরুল ইসলাম
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
অতুলপ্রসাদ সেন
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যাঃ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত গানের চরণটির গীতিকার বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। তার রচিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গান হচ্ছে- তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি, দুর্গম গিরি কান্তার।
188. বাংলা ভাষায় মুদ্রিত প্রথম গ্রন্থের নাম কী?
কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ
কথামালা
কথোপকথন
ইতিহাসমালা
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় মুদ্রিত প্রথম গ্রন্থের নাম কথোপকথন। এর রচয়িতা হলেন উইলিয়াম কেরি। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক রচিত শিশুতোষ গ্রন্থই কথামালা।
189. 'জন্মেছি মাগো তোমার কোলেতে মরি যেন এই দেশে'- কবিতাংশটির কবি কে?
বেগম সুফিয়া কামাল বেগম
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
ড. নীলিমা ইব্রাহিম
সনজিদা খাতুন
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যাঃ বেগম সুফিয়া কামাল ১৯১১ সালের ২০ জুন জন্মগ্রহণ করেন। তার রচিত বিখ্যাত কবিতা জন্মেছি এই দেশে কবিতার চরণ হচ্ছে জন্মেছি মাগো তোমার কোলেতে মরি যেন এই দেশে। তার রচিত কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে- সাঁঝের মায়া, মায়া কাজল, মন ও জীবন, অভিযাত্রিক প্রভৃতি।
190. 'লোকে বলে ও বলে রে ঘরবাড়ি ভালা না আমার' চরণটির রচয়িতা-
হাছন রাজা
শাহ আব্দুল
করিম লালন
ফকির আব্বাস উদ্দিন
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: হাছন রাজা বাংলা সাহিত্যের লালনগীতির এক অন্যতম নাম। তার রচিত কয়েকটি গান হলো- নেশা লাগিল রে, বাঁকা দুই নয়নে নেশা লাগিল রে, সোনা বন্ধে আমারে দেওয়ানা বানাইল।
191. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন কত সালে?
১৯০০ সালে
১৯১৩ সালে
১৯০৫ সালে
১৯১৭ সালে
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি এশিয়া মহাদেশের মধ্যে প্রথম বাঙালি কবি হিসেবে ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলীর জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
192. অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের কবির নাম কী?
কাজী নজরুল ইসলাম
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সুকান্ত ভট্টাচার্য
শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: অগ্নিবীণা হচ্ছে কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ, যা প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে। তার রচিত কাব্যগ্রন্থগু হচ্ছে- সর্বহারা, মরু ভাস্কর, সাম্যবাদী, প্রলয় শিখা। তাকে বিদ্রোহী কবি বলা হয়ে থাকে।
193. বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস কোনটি?
আলালের ঘরের দুলাল
হুতুম প্যাঁচার নক্সা
দুর্গেশ নন্দিনী
সীতারাম
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: দুর্গেশ নন্দিনী বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাস। উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৮-৬৫ সালের মার্চ মাসে।
194. কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম সাল-
১৮৬১
১৮৯৯
১৯১৩
১৯৪৩
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যাঃ কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৮৯৯ সালের ২৪মে (১৩০৬ বঙ্গাব্দে ১১ জ্যৈষ্ঠ) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বিদ্রোহী কবি নামে খ্যাত। তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হচ্ছে বাঁধন-হারা। তিনি ১৯৭৬ সালে ২৯শে আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন।
195. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত 'পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাসে বিবৃত হয়েছে-
জেলেদের জীবনাচরণ
মাঝিদের জীবনাচরণ
কোলকাতাবাসীর জীবনাচরণ
বিত্তবান মানুষের জীবনাচরণ
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: 'পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাসটি মানিক বন্দোপাধ্যায় রচিত উপন্যাসগুলোর মধ্যে সর্বাধিক পঠিত, আলোচিত ও একাধিক বিদেশি ভাষায় অনূদিত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস। এটি ১৯৪৮ সালে বাংলায় প্রকাশিত হয়। পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসটি বাংলাদেশের পদ্মা তীরবর্তী অঞ্চলের জেলে সম্প্রদায়ের জীবন চিত্র।
196. 'শহিদ জননী' নামে খ্যাত-
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
বেগম সুফিয়া কামাল
সেলিনা হোসেন
জাহানারা ইমাম
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যাঃ কবি জাহানারা ইমাম শহিদ জননী নামে খ্যাত। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তার সন্তান রুমী শহীদ হন। এজন্য তাকে শহিদ জননী বলা হয়।
197. 'বন্দী শিবির থেকে'- কী ধরনের গ্রন্থ?
উপন্যাস
কাব্যগ্রন্থ
প্রবন্ধ গ্রন্থ
ছোটোগল্প গ্রন্থ
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থটি কবি শামসুর রহমানের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। তার রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে- প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে, নিজ বাসভূমে, রৌদ্র করোটিতে।
198. 'বিদ্যাসুন্দর' গ্রন্থের অনুবাদক কে?
সাবিরিদ খান
আলাওল
মালাধর বসু
নরোত্তম দাস
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যাঃ বিদ্যাসুন্দর ষোড়শ শতাব্দীর গোড়ার দিকে কবি সাবিরিদ খান রচিত একটি রোমান্টিক প্রণয়কাব্য। বিদ্যাসুন্দর কাব্যের কাহিনি কালিকামঙ্গলের অন্তর্গত। কবি তার এই গ্রন্থকে নাটগীত বলে উল্লেখ করেছেন। সাবিরিদ খান 'বিদ্যাসুন্দর', 'রসুল বিজয়' ও হানিফা কয়রাপরী নামে তিনটি খ্যাতিমূলক কাব্য রচনা করেন।
199. 'চর্যাপদে'র প্রকৃত নাম কী?
চর্যাচর্যবিনিশ্চয়
চর্যাগীতিকোষ
বৌদ্ধ গান ও দোহা
চর্যাপদ
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন। ১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় শাস্ত্রী নেপাল রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন। তারই সম্পাদনায় ৪৭টি পদবিশিষ্ট পুথিখানি হাজার বছরের পুরানো বাঙলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা (১৯১৬) নামে বঙ্গীয় সাহিত্য কর্তৃক প্রকাশিত হয়। তিনি পুথির সূচনায় একটি সংস্কৃত শ্লোক থেকে নামের যে ইঙ্গিত পান তাতে এটি চর্যাচর্যবিনিশ্চয় নামেও পরিচিত হয়। তবে সংক্ষেপে এটি বৌদ্ধগান ও দোহা বা চর্যাপদ নামেই অভিহিত হয়ে থাকে।