EC
Engineering Classroom
by Himalay Sen

Exams

Prepare for your next test with our collection of exam-based practice sets and question banks designed for effective assessment and revision.

Courses

Discover our wide range of online courses designed to help you learn new skills, master complex topics, and achieve your academic or career goals.

Books

টার্গেট - BPSC নন ডিপার্টমেন্ট রিটেন বই

টার্গেট - BPSC নন ডিপার্টমেন্ট রিটেন বইটি বর্তমানে BPSC রিটেন পরীক্ষার জন্য সেরা। BPSC এর বিগত সালের সকল লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তর এই বইয়ে দেওয়া হয়েছে।

৳299.00
এডমিশন মাস্টার - পলিটেকনিক ভর্তি গাইড ও সাজেশন বই ২০২৬

পলিটেকনিক ভর্তি পরীক্ষার জন্য সেরা ভর্তি গাইড ও সাজেশন বই।

৳320.00
রেডিমিক্স সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বেস্ট MCQ বই

উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও সহকারী প্রকৌশলী চাকরি প্রস্তুতির জন্য সিভিল ডিপার্টমেন্টের বেস্ট MCQ বই।

৳750.00
English For Exam বই by Himalay Sen Sir

উপ-সহকারী প্রকৌশলী চাকরি প্রস্তুতির জন্য বেস্ট English বই।

৳330.00

সালের প্রশ্ন

Access past board exam questions organized by year and subject to help you understand patterns, improve preparation, and boost your exam performance.

MCQ
21. কোনটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ?
সিংহাসন
কানাকানি
ভাই বোন
গাছপাকা
22. যদি তেলের মূল্য ২৫% বৃদ্ধি পায় তবে তেলের ব্যবহার শতকরা কত কমালে তেল বাবদ ব্যয় বৃদ্ধি হবে না।
১৬%
২৫%
২০%
৫৬%
23. বিষাদ সিন্দু কার রচনা?
কায়কোবাদ
মীর মোশারফ হোসেন
মোজাম্মেল হোসেন
ইসমাইল হোসেন সিরাজী
ব্যাখ্যা: তথ্য: কারবালার যুদ্ধকে উপজীব্য করে রচিত বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের রচয়িতা মীর মোশারফ হোসেন। সৈয়দ মীর মোশারফ হোসেন (নভেম্বর ১৩-১৮৪৭ - ডিসেম্বর ১৯-১৯১১) ছিলেন একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক।
24. রাষ্টের চতুর্থ স্তম্ভ কাকে বলা হয়?
রাজনীতি
সংবাদ মাধ্যম
বুদ্ধিজীবি সম্প্রদায়
যুবশক্তি
ব্যাখ্যা: তথ্য: রাষ্টের কল্যাণমূলক ও জনগুরুত্বপূর্ণ সর্বোপরি সুশাসন যেমন সংবাদ মাধ্যমে উঠে আসে ঠিক তেমনি সংবাদমাধ্যম সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে উন্নয়নের দিকে ধাবিত করে। এদিক থেকে সংবাদ মাধ্যমকে রাষ্টের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়। রাষ্টের চতুর্থ স্তন্ন হিসেবে সংবাদপত্রকে সর্বপ্রথম নির্দেশ করে
25. সার্কের সদর দপ্তর কোথায়?
ভারত
পাকিস্তান
শ্রীলঙ্কা
নেপাল
ব্যাখ্যা: তথ্য: এটি অর্থনৈতিক, প্রযুক্তিগত, সামাজীক, সাংস্কৃতিক এবং উন্নয়নের যৌথ আত্মনিভরশীলতা জোর নিবেদিত। সাকেব প্রতিষ্টাতা সদস্য সমূহ হল বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপার, মালদ্বীপ, ভুটান এবং ২০০৭ সালে আফগানিস্তান সাকেব সদস্য পদ লাভ করে। নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু সাকের সদর দফতর অবস্থিত।
26. বার্ষিক শতকরা ১০% হাওে ১০০০ টাকার ২ বছর পর সরল ও চক্রবৃদ্ধি পার্থক্য কত?
11 টাকা
11.5 টাকা
10 টাকা
12 টাকা
27. বাংলাদেশের সবচাইতে বেশি পাট উৎপন্ন হয় কোন জেলায়?
ফরিদপুর
জামালপুর
রংপুর
শেরপুর
ব্যাখ্যা: তথ্য: বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলায় সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয়। বাংলাদেশে সাধারনত দুই প্রকার পাট চাষ করা হয় দেশি এবং তোষা পাট। রংপুর, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, কুমিল্লা, যশোর, ঢাকা, কুষ্টিয়া, জামালপুর, টাঙ্গাইল, পাবনা, প্রভৃতি জেলায় পাট চাষ ভাল হয়।
28. ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সামরিক সেক্টরে বিভক্ত করা হয়?
৯ টি
১৭ টি
১৫ টি
১১ টি
ব্যাখ্যা: তথ্য: মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ৪ এপ্রিল মুক্তিফৌজ নামে মুক্তিবাহিনী গঠিত হয় এবং ৯ এপ্রিল এর নামকরণ করা হয় মুক্তিবাহিনী। পরবর্তীতে জেনারেল এম.এ.জি. ওসমানীকে মুক্তিবাহিনী প্রধান সেনাপতি নিয়োগ দেয়া হলে তিনি বাংলাদেশকে যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে ১১ টি সেক্টরে বিভক্ত করেন।
30. নীলদর্পন নাটকটির বিষয়বস্তু কী?
নীলকরদের অত্যাচার
ভাষা আন্দোলন
অসহযোগ আন্দোলন
তে-ভাগা আন্দোলন
ব্যাখ্যা: তথ্য: উনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে নীলকরদের অত্যাচারে পীড়িত সাধারন কৃষক-জীবনের মর্মাক্তক ছবি নীল দর্পণ নাটক প্রকাতি হয়। গ্রন্থটির ইংরেজী অনুবাদ করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
31. নিম্নের কোনো দুযোগটি বাংলাদেশের জনগণের জীবিকা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে?
ভূমিকম্প
ঘূণিঝড় ও জলোচ্ছাস
সমুদ্রের জলস্তরের বৃদ্ধি
খরা ও বন্যা
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, খরা, বন্যা ও ভূমিকম্প খুব অল্প সময়ের জন্য হয়ে থাকে। পক্ষান্তরে, সমুদ্রের পানির স্তর বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশের নিম্নভূমিসহ ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগ ডুবে যাবে। যার ফবে কৃষকরা জমিতে ফসল চাষ না করতে পেরে জীবিকা তাগিদে অন্য কোনো পেশার সাথে নিজেকে খাপখাইয়ে নিবে। সুতরাং সমুদ্রের জলজ্বরের বৃদ্ধি জনগণের জীবিকা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলবে।
32. যে রোগে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংশ হয়?
কোভিড ১৯
এইডস
জন্ডিস
ধনুষ্টংকর
ব্যাখ্যা: তথ্য: এইডস বা এইটআইভি মানব প্রতিরক্ষা অভাবসৃষ্টিকারী ভাইরাস নামক ভাইরাসের কারণে সৃষ্টি একটি রোগলক্ষণসমষ্টি। যা মানুষের দেহে রোগ- প্রতিরোধের ক্ষমতা বা প্রতিরক্ষা হ্রাস করে।
34. মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস আগুনের পরশমনি কার লেখা?
আমজাদ হোসেন
শওকত ওসমান
হুমায়ুন আহমেদ
সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যা: তথ্য: হুমায়ুন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো- আগুনের পরশমনি, দেয়াল ও শ্যামল ছায়া। শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো- জাহান্নাম হইতে বিদায়, নেকড়ে অরণ্য, দুই সৈনিক, জলাঙ্গী। সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থঃ নীলদংশন, নিষিদ্ধ লোবান, পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়।
35. মুজিবনগওে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ, সরকারের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ তারিখ--
১০ মার্চ
২৬ মার্চ
১৭ এপ্রিল
১৭ মে
ব্যাখ্যা: তথ্য: ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল এই সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমানে মুজিবনগর) শপথ গ্রহণ করেন। এই সরকার গঠনের সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধযুদ্ধ প্রবল যুদ্ধ রূপ নেয় এবং স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশের বিজয় অর্জন ত্বরান্বিত হয়।
36. অসমাপ্ত আত্মজীবনী কার লেখা?
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
শেখ হাসিনা
এ কে ফজলুল হক
আব্দল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা: তথ্য: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থটি ১৯৬৬-৬৯ সালে লেখা হয়। চারটি খাতায় লিখে রাখা সেই খন্ডিত জীবন নিয়েই ১৮ জুন ২০১২ গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।
37. জাতিসংঘ কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়?
১৯৪১
১৯৪৯
১৯৪৫
১৯৪৯
ব্যাখ্যা: তথ্য: জাতিসংঘ বিশ্বেও জাতিসমূহের একটি সংগঠন, যার লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আইন, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক অগ্রগতি এবং মানবাধিকার বিষয়ে পারস্পারিক সহযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি করা। ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং পরবর্তীতে লুপ্ত লীগ অফ নেশন্সের স্থলাভিষিক্ত হয়।
38. ১৭ সেমি, ১৫ সেমি ও ৮ সেমি বাহু বিশিষ্ট ত্রিভুজ হবে --
সমবাহু
সমদ্বিবাহু
সমকোণী
স্থূলকোণী
39. জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য--
জাপান, জার্মানী, ফ্রান্স, ব্রিটেন, কানাডা
ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট, ব্রিটেন, চীন
যুক্তরাজ্য, জার্মানী, ব্রিটেন, ব্রাজিল, চীন
উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, ভারত ইসরাইল, চীন
40. বাংলাদেশ জাতিসংঘের-
১৪৬ তম সদস্য
১২৬ তম সদস্য
১৩৬ তম সদস্য
১১৬ তম সদস্য
ব্যাখ্যা: তথ্য: ১৯৭২ এবং ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হতে ব্যর্থ হয়েছিল কারণ চীন পাকিস্তানের পক্ষে ভেটো ব্যবহার করে বাংলাদেশে পূর্ণ সদস্যপদ প্রান্তি রোধ করেছিল। ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশ জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ লাভ করে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বও সাধারণ অধিবেশনে বাংলা ভাষায় একটি ভাষণ দিয়েছিলেন। বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য- ১৩৬ তম