টার্গেট - BPSC নন ডিপার্টমেন্ট রিটেন বইটি বর্তমানে BPSC রিটেন পরীক্ষার জন্য সেরা। BPSC এর বিগত সালের সকল লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তর এই বইয়ে দেওয়া হয়েছে।
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যাঃ ১৯১৪ সালে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত 'সবুজপত্র' পত্রিকাটি বাংলা গদ্যে চলিত ভাষারীতি প্রসারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যাঃ 'গায়ক' একটি কৃদান্ত শব্দ। এর সঠিক সংস্কৃত প্রকৃতি-প্রত্যয় হলো গৈ + ণক (অক)। 'ণক' প্রত্যয়ের 'ণ' ইৎ হয় এবং 'অক' যুক্ত হয়, ফলে গৈ + অক = গায়ক গঠিত হয়।
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যাঃ 'শ্রবণ' শব্দের সঠিক সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় হলো শ্রু + অনট্ (অন)। এখানে 'শ্রু' হলো ধাতু এবং 'অনট্' হলো প্রত্যয়।
৩. 'দোলনা' শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যাঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর প্রথম যৌবনে 'ভানুসিংহ ঠাকুর' ছদ্মনামে ব্রজবুলি ভাষায় অনেক পদাবলি রচনা করেন, যা পরে 'ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী' নামে প্রকাশিত হয়।
9.
ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সংবাদপত্র কোনটি?
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যাঃ 'রক্তকরবী' (১৯২৬) বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত রূপক-সাংকেতিক নাটক। যক্ষপুরীর পটভূমিতে যন্ত্রসভ্যতার বিপরীতে মানবিকতার জয়গান এই নাটকের মূল উপজীব্য।
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যাঃ বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম 'ধূমকেতু' (১৯২২) এবং 'লাঙল' (১৯২৫) পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেন। ধূমকেতু পত্রিকাটির মাধ্যমে তিনি ব্রিটিশ বিরোধী তীব্র লেখা প্রকাশ করতেন।
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যাঃ ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বর্গের প্রথম ব্যঞ্জনের (ট্) পর স্বরধ্বনি (আ) থাকলে প্রথম ব্যঞ্জনটি সেই বর্গের তৃতীয় ব্যঞ্জনে (ড়) পরিণত হয়। তাই ষট্ + আনন = ষড়ানন।
13.
'সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই'—উক্তিটি কার?
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যাঃ এটি মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বৈষ্ণব পদকর্তা বড়ু চণ্ডীদাসের একটি কালজয়ী উক্তি, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানবতাবাদের শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যাঃ স্বদেশি আন্দোলনের সময় মুকুন্দ দাস তাঁর দেশাত্মবোধক গান ও যাত্রাপালার মাধ্যমে বাংলার মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন বলে তাঁকে 'চারণ কবি' উপাধি দেওয়া হয়।
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যাঃ ১৯২৬ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ'-এর বার্ষিক মুখপত্র ছিল 'শিখা' পত্রিকা। এই সংগঠনটির মূলমন্ত্র ছিল 'বুদ্ধির মুক্তি'।
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যাঃ যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস মুখগহ্বরের পাশাপাশি নাক দিয়েও বের হয়, তাদের নাসিক্য বা অনুনাসিক ধ্বনি বলে। বর্গের পঞ্চম বর্ণগুলো (ঙ, ঞ, ণ, ন, ম) নাসিক্য ধ্বনি।
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যাঃ ব্রিটিশ নীলকরদের নির্মম অত্যাচার ও শোষণের পটভূমিতে ১৮৬০ সালে দীনবন্ধু মিত্র তাঁর অমর সৃষ্টি 'নীলদর্পণ' নাটকটি রচনা করেন, যা ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়।
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যাঃ 'র' উচ্চারণ করার সময় জিহ্বার অগ্রভাগ দন্তমূলকে একাধিকবার দ্রুত আঘাত করে কম্পনের সৃষ্টি করে, তাই 'র'-কে কম্পনজাত ধ্বনি বলা হয়। ড় এবং ঢ় হলো তাড়নজাত ধ্বনি।