টার্গেট - BPSC নন ডিপার্টমেন্ট রিটেন বইটি বর্তমানে BPSC রিটেন পরীক্ষার জন্য সেরা। BPSC এর বিগত সালের সকল লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তর এই বইয়ে দেওয়া হয়েছে।
ব্যাখ্যা: অফসেট ফুটিং, ওয়াল ফুটিং, আর সিসি ফুটিং, স্টাপ ফুটিং সমূহের বেজকে ধাপে ধাপে চওড়া করে কাঠামোর ভর বৃহত্তর এলাকায় ছড়িয়ে দেয় যা স্প্রেড ফুটিং-এর অন্তর্ভুক্ত।ম্যাট বা র্যাফট ফুটিং কম্বাইন্ড ফুটিং, যা কাঠামোর নিম্নস্থ সমস্ত ক্ষেত্রেফলকে আবৃত করে কাঠামোর সব দেওয়াল বা কলামকে একযোগে সাপোর্ট প্রদান করে, তাকে র্যাফট ফুটিং বলে।
20743.
10m গভীরতা পর্যন্ত গর্ত খনন করতে টিম্বারিং পদ্ধতি-
ব্যাখ্যা: ভার্টিক্যাল শিটিং: এই পদ্ধতিতে নরম মাটিতে ১০ মি গভীরতার জন্য করা হয়। এটা বক্স শিটিং পদ্ধতির অনুরূপ। এক্ষেত্রে খনন কাজ পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করা হয় এবং শেষে একটি অফসেট প্রদান করা হয়।
ব্যাখ্যা: যুক্ত ফুটিং প্রদান করা হয়
(i) দুটি কলাম খুব কাছাকাছি এবং ওভার ল্যাপ করলে।
(ii) মাটির ভারবহন ক্ষমতা কম হলে অর্থাৎ স্বতন্ত্র কলামের জন্য বেশি জায়গার প্রয়োজন হলে।
(iii) যখন কলাম প্রান্ত সীমানা রেখায় পড়ার ফলে ফুটিং বর্ধিত করার সুযোগ না থাকে।
ব্যাখ্যা: তথ্য: শেষ প্রশ্ন উপন্যাসটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচন করেন
। উপন্যাসটি ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। এ উপন্যাসের প্রধান
চরিত্রের নাম"কমল এছাড়াও দেবদাস, দত্তা, শুভদা, দেনাপাওনা, শেষের পরিচয়, পন্ডিত মশাই
ইত্যাদি
ব্যাখ্যা: তথ্য: 'চাঁদ মুখের ব্যাসবাক্য হলো-চাঁদের মতো মুখ। চাঁদমুখ-এ চাঁদেও সৌন্দর্যের সাথে মুখের সৌন্দর্যের অভেদ কল্পনা করা হয়েছে। চাঁদেও আকারের সাথে নয়। তাই এটি রুপক কর্মধারয় সমাস।
ব্যাখ্যা: (i) ফ্লোটিং পাইল: যে পাইল পানিতে ভাসমান থেকে লোড
স্থানান্তর করে।
(ii) ফ্রিকশন পাইল: কাদা বা আলগা নরম মাটিতে স্ক্রিন ফ্রিকশনের মাধ্যমে যে পাইল লোড স্থানান্তর করে। (iii) ব্যাটার পাইল: তীর্যক বল প্রতিরোধ করার জন্য অনুভূমিক বা তীর্যকভাবে যে পাইল বসানো হয়, তাকে ব্যাটার পাইল বলে।
(iv) বিয়ারিং পাইল: যে পাইল নরম মাটির বা পানির মধ্য দিয়ে মাটির শক্ত স্তরে কাঠামোর লোডকে স্থানান্তর করে, তাকে বিয়ারিং পাইল বলা হয়।
ব্যাখ্যা: অগভীর ভিত্তি চার প্রকার-
(i) স্প্রেড ফুটিং (Spread footing)
(ii) কম্বাইন্ড বা যুক্ত ফুটিং (Combained footing)
(iii) স্ট্রাপ বা ক্যান্টিলিভার (Strap footing)
(iv) ম্যাট বা র্যাফট ফুটিং (Mat বা Raft food)
ব্যাখ্যা: তথ্য: দেবী অন্নপূর্ণা, তখন ঈশ্বরী পাটনীকে বর প্রার্থনা করতে বলেন।
তিনি, দেবী অন্নপূর্ণার কাছে বর প্রার্থনা করেছেন, তাঁর সন্তান যেন দুধ
ভাত খেয়ে থাকতে পারে।