EC
Engineering Classroom
by Himalay Sen

Exams

Prepare for your next test with our collection of exam-based practice sets and question banks designed for effective assessment and revision.

Courses

Discover our wide range of online courses designed to help you learn new skills, master complex topics, and achieve your academic or career goals.

Books

টার্গেট - BPSC নন ডিপার্টমেন্ট রিটেন বই

টার্গেট - BPSC নন ডিপার্টমেন্ট রিটেন বইটি বর্তমানে BPSC রিটেন পরীক্ষার জন্য সেরা। BPSC এর বিগত সালের সকল লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তর এই বইয়ে দেওয়া হয়েছে।

৳299.00
এডমিশন মাস্টার - পলিটেকনিক ভর্তি গাইড ও সাজেশন বই ২০২৬

পলিটেকনিক ভর্তি পরীক্ষার জন্য সেরা ভর্তি গাইড ও সাজেশন বই।

৳320.00
রেডিমিক্স সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বেস্ট MCQ বই

উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও সহকারী প্রকৌশলী চাকরি প্রস্তুতির জন্য সিভিল ডিপার্টমেন্টের বেস্ট MCQ বই।

৳750.00
English For Exam বই by Himalay Sen Sir

উপ-সহকারী প্রকৌশলী চাকরি প্রস্তুতির জন্য বেস্ট English বই।

৳330.00

সালের প্রশ্ন

Access past board exam questions organized by year and subject to help you understand patterns, improve preparation, and boost your exam performance.

বাংলাদেশ বিষয়ে MCQ MCQ
41. ৭ই মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কয় দফা দাবি পেশ করেন?
৬ দফা
১১ দফা
৪ দফা
৭ দফা
ব্যাখ্যা: তথ্য: ৭ই আর্চের ভাষণে ৪ দফা দাবি ভাষণে উপস্থাপন করা হয়। দাবি ৪ টি হলো: ১. সাময়িক আইন প্রত্যাহার করতে হবে ২. সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নিতে হবে। ৩. এই গণহত্যার তদন্ত করতে হবে। ৪. নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।
42. পুলিশী সাহায্য পাওয়ার শর্ট কোড কোনটি?
১০৬
৩৩৩
৯৯৯
১২১
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ সরকার তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের মাধ্যমে চালু করা হয়েছে জরুরি সেবা ৯৯৯। যে কোনো মোবাইল নম্বর থেকে সম্পূর্ণ টোল ফ্রি কল করে বাংলাদেশের নাগরিকরা জরুরি মুহূর্তে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস বা অ্যাম্বুলেন্স সেবা পেয়ে থাকেন।
43. মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়?
১৯৯৯
১৯৯৮
২০০০
২০০১
ব্যাখ্যা: তথ্য: মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক মন্ত্রণালয় গঠিত হয় ২৩ অক্টোবর ২০০১ সালে। সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি ২০০১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় নামে এ মন্ত্রণালয়টি গঠিত করেন।
44. বাংলাদেশের সংবিধান কখন থেকে কার্যকর হয়?
১২ অক্টোবর, ১৯৭২
২৬ মার্চ ১৯৭৩
১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭৩
ব্যাখ্যা: তথ্য: বাংলাদেশর খসড়া সংবিধান ১২ অক্টোবর ১৯৭২ গণ-পরিষদের উদ্ধাপন করা হয়। ৪ নভেম্বর ১৯৭২ গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে কার্যকর হয়।
45. কোন ইউরোপিয়ান দেশ প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় --
ভারত
জার্মানি
রাশিয়া
নেপাল
ব্যাখ্যা: তথ্য: এশিয়ার বাহিরে প্রথম স্বীকৃতিদানকারী দেশ বা প্রথম পশ্চিমা দেম হিসেবে পূর্ব জার্মানি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি। একই দিন স্বীকৃতি দেয় গ্রেট ব্রিটেন, পশ্চিম জার্মানি, ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক, সুইডেন, নরওয়ে, আইসল্যান্ড।
46. বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতিদানকারী দেশ কোনটি?
ভারত
মায়ানমার
ভুটান
রাশিয়া
ব্যাখ্যা: তথ্য: ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর একটি বেতার বার্তা পাঠিয়ে ভুটানই প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। মহান মুক্তিযুদ্ধের শেষলগ্নে ভারত ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ (মতান্তরে ৭ ডিসেম্বর) বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দেয় ৪ এপ্রিল ১৯৭২। প্রথম আরব দেশ হিসেবে ইরাক স্বীকৃতি দেয় ৮ জুলাই, ১৯৭২।
47. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ আনা হয়?
৩৫ জন
৫৪ জন
৮৪ জন
২৪ জন
ব্যাখ্যা: তথ্য: শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামি করে ২৭ জন সামরিক এবং ৮ জন বেসামরিক নাগরিকের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছিল রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা। প্রহসনমূলক এ মামলার বিরুদ্ধে ওই সময় গড়ে ওঠে তুমুল গণআন্দোলন। এই মামলাটির পূর্ণ নাম ছিল রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য মামলা। তবে এটি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা হিসাবেই বেশি পরিচিত, কারণ মামলার অভিযোগে বলা হয়েছিল যে, বারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় কথিত ষড়যন্ত্রটি শুরু হয়েছিল।
48. সিন্দুরী' বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে কিসের নাম?
বেগম
আম
আলু
টমেটো
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: আলুর উন্নত জাত ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, কুফরী ও সিন্দুরী [তথ্যসূত্রঃ অগ্রদূত বাংলাদেশ বিষয়াবলি)
49. অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিল?
এ.কে ফজলুল হক
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
খাজা নাজিমুদ্দিন
আবুল হাসেম
ব্যাখ্যা: তথ্য: অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী হলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
50. কত সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'জুলিও কুরি' পদকে ভূষিত করা হয়'
১৯৬৮
১৯৭১
১৯৭২
১৯৭০
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: ১০ অক্টোবর ১৯৭২ চিলির রাজধানী সান্তিয়াগোতে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় শোষিত ও নিপীড়িত জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে তথা বিশ্বশান্তি প্রতি' স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'জুলিও কুরি শান্তি পদক' প্রদানের ঘোম সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া [তথ্যসূত্রঃ বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকা] সডেমিয়াল কমিটির অসাধারণ অবদানের দেয়া হয়। ২৩ মে ১৯৭৩ জুলিও কুরি পদক।
51. কোন স্থানটি বাংলাদেশের ছিটমহল?
তিন বিঘা করিডর
জাফলং
রৌমারী
দহগ্রাম
ব্যাখ্যা: লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা। এ ভূখন্ডের সাথে বাংলাদেশের মূল ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি প্যাসেজ ডোর রয়েছে যা তিন বিঘা করিডর নামে পরিচিত।
52. দেশের প্রথম টানেলের দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
২.৪৫
৩.৩২
৩.৪০
৩.৪৩
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: কর্ণফুলীর ২ তীরকে সংযুক্ত করে চীনের সাংহাই শহরের আদলে 'ওয়ান সিটি টু টাউন' গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই প্রকল্পটি হাতে নেয় সরকার। মূল টানেলের দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার। এই সুড়ঙ্গটি বাংলাদেশের প্রথম সুড়ঙ্গ পথ এবং দক্ষিণ এশিয়ায় নদী তলদেশের প্রথম ও দীর্ঘতম সড়ক সুড়ঙ্গপথ। চীনা প্রতিষ্ঠান চায়না কমিউনিকেশন এ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড (সিসিসিসি) এই সুড়ঙ্গ নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। টানেল টিউবের দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার এবং ভেতরের ব্যাস ১০ দশমিক ৮০ মিটার। [তথ্যসূত্রঃ ডেইলি স্টার পত্রিকা]
53. ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
খুলনা
বাগেরহাট
যশোর
রাজশাহী
ব্যাখ্যা: তথ্য: ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ। মসজিদটির গাঁয়ে কোনো শিলালিপি নেই। তাই এটিকে নির্মাণ করেছিলেন বা কোন সময় নির্মাণ করা হয়েছিল সে সম্বন্ধে সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। তবে মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী দেখলে যায়। এটি যে খান জাহান আলী নির্মাণ করেছিলেন
54. পুন্ড্রনগর কোন জেলায় অবস্থিত?
কুমিল্লা
বগুড়া
নওগা
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: প্রাচীন পুণ্ড্রনগর বগুড়ার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত। এটি প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ পুন্ডু রাজধানী। বর্তমান বগুড়া রাজশাহী রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল পুন্ড জনপদ।
55. বর্তমান বৃহত্তম ঢাকা জেলা প্রাচীনকালে কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
সমতট
বঙ্গ
পুন্ড্র
হরিকেল
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: বর্তমান বৃহত্তর ঢাকা জেলা প্রাচীনকালে বঙ্গ জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রাচীনকালের প্রধান ৬টি জনপদের একটি বঙ্গ। বঙ্গ ছিল ঢাকা, ময়মনসিংহ ও ফরিদ পুর অঞ্চল নিয়ে বিস্তৃত। [তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া
56. দহগ্রাম ছিটমহল কোন জেলায় অবস্থিত?
নীলফামারী
কুড়িগ্রাম
লালমনিরহাট
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা: ১৯৭২ সালে ইন্দিরা মুজিবুর চুক্তি অনুযায়ী দহগ্রাম আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলাধীন একটি ছিটমহল।
57. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার নকশা কে তৈরি করেন?
মোস্তফা কামাল
রফিকুন্নবী
জয়নুল আবেদিন
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা: তথ্য: মানচিত্রখচিত প্রথম জাতীয় পতাকার নকশা তৈরি করেন শিব নারায়ণ দাস। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জহুরুল হক হলের (তৎকালীন ইকবাল হল) ১১৮ নম্বর কক্ষে বসে প্রথম জাতীয় পতাকা ডিজাইন করেন। পরবর্তীতে বর্তমান জাতীয় পতাকার (মানচিত্রবিহীন) ডিজাইন করেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান (১৯২১ ১৯৮৮ খ্রি.)
58. সার্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা বিল-২০২৩ পাশ হয় কবে?
১৪ জানুয়ারি-২০২৩
২৪ জানুয়ারি-২০২৩
১৫ অক্টোবর-২০২৩
২৫ অক্টোবর-২০২০
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: ২৪ জানুয়ারি, ২০২৩ জাতীয় সংসদে 'সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা বিল ২০২৩' পাস হয়েছে। দেশের সব প্রাপ্ত বয়স্ক নাগরিককে পেনশন ব্যবস্থার আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়ে বিলটি পাস করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সংসদে এ সংক্রান্ত বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করেন। এরপর এটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বিলের ওপর আনীত জনমত যাচাই বাছাই কমিটিতে পেরন সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি করেন। সরকার গেজেট জারি করে বাধ্যতামূলক না করা অংশগ্রহণ হবে ঐচ্ছিক। বিলে বলা হয়েছে, জাতীয় পরিচয়পত্রকে ভিত্তি ধরে সর্বজনীন বছর বা তার বেশি বয়স থেকে ৫০ বছর বয়সী সব বাংলাদেশী নাগরিক এতে অংশ নিতে বিবেচনায় পঞ্চাশোর্ধ্ব ব্যক্তিদেরও পেনশন স্কিমের আওতায় আনার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে সুবিধা পেতে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর চাঁদাদাতাকে ধারাবাহি পেনশন স্কিে নশনের আওতায় পারবেন। বিশেষ বে মাসিক পেন নবে কমপক্ষে চাঁদা দিতে হবে। ১০ বছর চাঁদা দেয়া শেষে তিনি যে বয়সে উপনীত হবেন, সে বয়স থেকেও ীবন পেন পাবেন। বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশী কর্মীরাও এতে অংশ নিতে পারবেন।
59. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করা হয়-
২২ শে ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
২২ শে মার্চ ১৯৬৮
২০ শে ফেব্রুয়ারি ১৯৭০
২২ শে ডিসেম্বর ১৯৭০
ব্যাখ্যা: তথ্য: ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করা হয়। সাথে সাথে শেখ মুজিবুর রাহমানসহ সকল কারাবন্দিকে নিঃশর্ত মুক্তি দেয়া হয়। পরের দিন, ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ তারিখে ঢাকায় রেসর্কোস ময়দানে এক বিশাল জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমানসহ মামলায় অভিযুক্তদের এক গণসংবর্ধনা দেয়া হয়। একই দিনে শেখ মুজিবকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করা হয়। এ উপাধিতে ভূষিত করেন তৎকালিন ডাকসু ভিপি তোফায়েল আহমেদ।
60. অপরাজেয় কথাশিল্পী হলেন-
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা: অপরাজেয় কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।