EC
Engineering Classroom
by Himalay Sen

Exams

Prepare for your next test with our collection of exam-based practice sets and question banks designed for effective assessment and revision.

Courses

Discover our wide range of online courses designed to help you learn new skills, master complex topics, and achieve your academic or career goals.

সালের প্রশ্ন

Access past board exam questions organized by year and subject to help you understand patterns, improve preparation, and boost your exam performance.

ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন অব ইলেক্ট্রিক্যাল পাওয়ার MCQ
361. এসি এক ফেজ ব্যবস্থায় তারের আয়তন, ডিসি দুই তার ব্যবস্থায় তারের আয়তনের কত গুণ?
দুই গুণ
তিন গুণ
চার গুণ
পাঁচ গুণ
ব্যাখ্যা: ব‍্যাখ্যা: এসি এক ফেজ ব্যবস্থায় তারের আয়তন, ডিসি দুই তার ব্যবস্থায় তারের আয়তনের দুই গুণ।
362. কম খরচে ডিসিকে এসি অথবা এসিকে ডিসিতে রূপান্তর করা যায় কীভাবে?
"থাইরিস্টর কনভার্টার" দ্বারা
ট্রান্সজিস্টর
ডায়োড
রেজিস্টর
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: Thyristor converters provide controlled conversion of AC into
363. কয়টি নীতির উপর ভিত্তি করে বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিশন লাইন ডিজাইন ক্রা হয়?
দুটি
তিনটি
একটি
চারটি
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: দুইটি নীতির উপর ভিত্তি করে বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিশন লাইন ডিজাইন করা হয়।
364. ফিডার লাইনে বুস্টারস ব্যবহার করা হয়-
পাওয়ার বাড়ানোর জন্য
ভোল্টেজ বাড়ানোর জন্য
পাওয়ার ফ্যাক্টরের মান বাড়ানোর জন্য
ডিসি তিন তার সিস্টেমে ভোল্টেজে সমতা আনয়নের জন্য
365. হাই-টেনশন ট্রান্সমিশনের প্রারম্ভেই ভোল্টেজকে বৃদ্ধি করার জন্য কোন ধরনের সংযোগ সাধারণত ব্যবহার করা হয়?
Δ/Δ
ΥΙΔ
YIY
Δ/Υ
366. একটি ডায়োডের সাংকেতিক চিত্রে দেখানো তীর চিহ্নটি কী নির্দেশ করে?
গ্রাউন্ড
ইলেক্ট্রন প্রবাহের দিক
অ্যানোড কারেন্ট প্রবাহের দিক
বিদ্যুৎ (current) প্রবাহের দিক
367. রেললাইনের উপর দিয়ে ক্রসিং-এ ১৩২ কেভি লাইনের জন্য সাধারণত সর্বনিম্ন কত ফুট গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স রাখতে হয়?
২০ ফুট
২৫ ফুট
৩০ ফুট
৩৫ ফুট
368. বাংলাদেশে মধ্যম ভোল্টেজের 'থ্রি-ফেজ' বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়-
১১ কেভিতে
৩৩ কেভিতে
২৩০ কেভিতে
১৩২ কেভিতে
369. ট্রান্সমিশন লাইন একটি-
লিনিয়ার নেটওয়ার্ক
অ্যাকটিভ নেটওয়ার্ক
প্যাসিভ নেটওয়ার্ক
ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক
370. পরিবাহীতে উৎপন্ন তাপ কখন বেশি হয়?
কারেন্ট বেশি হলে
ভোল্টেজ
পাওয়ার বেশি হলে
কারেন্ট ডেনসিটি বেশি হলে
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: পরিবাহীর কারেন্ট ডেনসিটি বেশি হলে, উৎপন্ন তাপ বেশি হয়।
371. স্বাধীন বাংলাদেশে বিপিডিবি কত MW বিদ্যুৎ প্রথম চালু করেছিল?
400MW
500MW
200MW
কোনটিই না
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর ১৯৭২ সালের ৩১ মে রাষ্ট্রপতির আদেশ বলে (পিও ৫৯) সাবেক ওয়াপদা থেকে পৃথক হয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত এই দেশকে আলোকিত ও শিল্পায়িত করার দায়িত্ব নিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণের সমন্বিত সংস্থা হিসেবে মাত্র ৫০০ মেগাওয়াট স্থাপিত ক্ষমতাসহ যাত্রা শুরু করে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো)।
372. ব্যবহারকারীর লোডের পাওয়ার ফ্যাক্টর কম হলে-
সরবরাহকারীর ক্ষতি হয়
সরবরাহকারীর লাভ হয়
ব্যবহারকারীর ক্ষতি হয়
কারও কোনো লাভ-লোকসান হয় না
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: পাওয়ার ফ্যাক্টর কম হলে সিস্টেমে- (i) লাইন লস বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। (ii) তারের ক্যাবলের আয়তন অনেক বেশি প্রয়োজন হয়। (iii) পাওয়ার সিস্টেমের দক্ষতা কমে যায়। (iv) প্রাথমিক খরচ বেড়ে যায়, এতে করে পার ইউনিট কস্ট বেশি হয়।
373. একটি ট্রান্সমিশন লাইনের এসি রেজিস্ট্যান্সের চেয়ে ডিসি রেজিস্ট্যান্স-
সমান
কম
বেশি
দ্বিগুণ
375. আহসান মঞ্জিলে কোন সালে প্রথম সুইচ টিপে বিদ্যুৎ চালু করা হয়?
1900
1902
1901
1904
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যাঃ ১৯০১ সালে ঢাকার নবাব আহসানউল্লাহর বাসভবনে একটি জেনারেটর স্থাপন করা হয়। ১৯০১ সালের ৭ ডিসেম্বর মি. বোল্টন নামে জনৈক ব্রিটিশ নাগরিক আহসান মঞ্জিলে সুইচ টিপে প্রথম বিদ্যুৎ সরবরাহের সূচনা করেন।
376. কোনো ট্রান্সমিশন লাইনের সরবরাহ প্রান্তের ভোল্টেজ ২৬,৩০০ ভোল্ট এবং গ্রাহক প্রান্তের ভোল্টেজ ৩০,০০০ ভোল্ট হলে, লাইনের % রেগুলেশন কত হবে?
১৪%
৯০.৯৯%
৯৯%
৯.০৯%
377. ডিসি তিন তার পদ্ধতিতে তামার আয়তন, ডিসি দুই তার পদ্ধতির তামার আয়তনের কত গুণ?
0.3125 গুণ
4 গুণ
0.5 গুণ
2গুণ
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা: ডিসি তিন তার পদ্ধতিতে তামার আয়তন, ডিসি দুই তার পদ্ধতির তামার আয়তনের 0.3125 গুণ।
379. উচ্চ ভোল্টেজে বৈদ্যুতিক পাওয়ার সরবরাহ করার সুবিধা-
বেশি পাওয়ার ট্রান্সমিট করা যায়
ইনসুলেশন, ট্রান্সফরমার এবং সুইচ গিয়ারের খরচ কম পড়ে
কম তারের প্রয়োজন হয়
বেশি কারেন্ট প্রবাহিত হয়
380. স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু কত MW পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করতে চেয়েছিলেন?
100
200
400
500
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যাঃ ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 200MW বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যেগ গ্রহণ করেন।